নিচে খুঁজুন
এসএসসি পরীক্ষা-২০১৫ : রসায়ন ( সাজেশন সম্ভাব্য প্রশ্নাবলি/ সাজেশন্স)
সৃজনশীল : ৪০
মোট ৬টি প্রশ্ন থাকবে। যে কোন ৪টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্নের পূর্ণমান : ১০ নম্বর।
** অধ্যায় ১ : পদার্থের অবস্থা ও পরিবর্তন
* * * ১। ক) জানালার গ্রিলে পড়া বাদামি আসত্ মরণের নাম কী?
খ) জানালার গ্রিলে পড়া বাদামি আসত্ মরণ কী ধরনের পরিবর্তন ব্যাখ্যা কর।
গ) বাদামি আসত্মরণ পড়া থেকে জানালার গ্রিলকে কীভাবে মুক্ত রাখা যায়? বর্ণনা কর।
ঘ) মোমবাতির দহনে ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধরনের পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে_ বিশেস্নষণ কর।
* * * ২। ক) আনত্মঃআণবিক শক্তি কী?
খ) গলনাংক ও স্ফুটনাংক বলতে কী বুঝ?
গ) আন্তঃআণবিক শক্তি বৃদ্ধিতে পদার্থের গলনাংক ও স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় কেন?
ঘ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণশক্তি ও গতিশক্তির উপর পদার্থের ভৌত অবস্থা নির্ভরশীল_ব্যাখ্যা কর।
* * ৩। ক) রাসায়নিক পরিবর্তন কাকে বলে?
খ) ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তনের দুটি করে বৈশিষ্ট্য উলেস্নখ কর।
গ) লোহার উপর মরিচা পড়া, কপারকে তাপ প্রয়োগে গলানো, আয়রন ও সালফারের বিক্রিয়া প্রভৃতি কী ধরনের পরিবর্তন কারণসহ লিখ।
ঘ) রাসায়নিক পরিবর্তন তাপীয় পরিবর্তনের কারণ উদাহরণসহ বিশেস্নষণ কর।
* * অধ্যায় ২ : পদার্থের গঠন
* * * ১। ক) রাসায়নিক সংযোগ সূত্র কী?
খ) ছকে প্রদত্ত ইথেন যৌগে কার্বন (২০%) ও হাইড্রোজেন (৮০%), এ উপাত্ত স্থির অনুপাত সূত্রকে সমর্থন করে-ব্যাখ্যা কর।
গ) ছকে উপাত্তগুলো কোন রাসায়নিক সূত্রকে সমর্থন করে তা প্রমাণ কর।
ঘ) কার্বন ও অক্সিজেন যুক্ত হয়ে কার্বন-ডাই অঙ্াইড উৎপন্ন করে যাতে অঙ্েিজনের পরিমাণ ৭২.৭৩%, পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ ৮৮.৮৯% এবং কার্বন হাইড্রোজেনের একটি যৌগ মিথেনে কার্বনের পরিমাণ ৭৫%। এ উপাত্তগুলো কী ছকে প্রদত্ত উপাত্ত সংশিস্নষ্ট সূত্রকে সমর্থন করে_যুক্তি দাও।
* * * ২। ক) কে ব্রাউনীয় গতি আবিষ্কার করেন?
খ) ব্রাডনীয় গতি সরল রৈখিক না হয়ে আঁকাবাঁকা হয় কেন?
গ) কোলয়েড কণার ক্ষেত্রে ব্রাউনীয় গতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ) ব্রাউনীয় গতির উদাহরণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিলৰিত হয়_ আলোচনা কর।
* * *৩। ক) পরমাণুর মূল কণিকা কী?
খ) পারমাণবিক ও আণবিক ভর বলতে কী বোঝায়?
গ) পরমাণুর স্থায়ী মূল কণিকার চার্জের প্রকৃতি ভর ও অবস্থান উলেস্নখ করে ছক তৈরি কর।
* * * ৪। ক) গুণানুপাত সূত্রটি কে আবিষ্কার করেন?
খ) গ্যাস আয়তন সূত্রটি প্রদত্ত সূত্র থেকে ভিন্ন কেন?
গ) প্রতিটি যৌগের এর ভরের অনুপাত নির্ণয় কর।
ঘ) প্রদত্ত উপাত্তটি কোন রাসায়নিক সূত্রকে সমর্থন করে?
* * *অধ্যায় ৩ : অ্যাভোগেড্রোর সূত্র
* *১। ক) এক মোল গ্যাসে উপস্থিত অণুর সংখ্যা কত?
খ) গ্যাসের অণুর সংখ্যা ওআয়তনের মধ্যে সম্পর্ক প্রকাশকারী সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
গ) এঙ্ গ্যাসের অণুতে পরমাণুর সংখ্যা নির্ণয় কর।
ঘ) এঙ্ গ্যাসটি সনাক্ত কর।
* * * ২। ক) অ্যাভেগেড্রোর সংখ্যা কাকে বলে?
খ) অ্যাভোগেড্রোর সূত্র এবং সূত্রের গুরম্নত্ব ও প্রয়োগ উলেস্নখ কর।
গ) আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপে ৫০ গ্রাম কার্বন-ডাই অঙ্াইড গ্যাসের আয়তন কত?
ঘ) একটি কার্বন পরমাণুর ভর এবং একটি পানির অণুর ভর নির্ণয় কর।
* * ৩। ক) বাষ্প ঘনত্ব কী?
খ) সংজ্ঞা-মোলার আয়তন, প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপ।
গ) দ্বিতীয় অনুসিদ্ধানত্ম লিখ এবং প্রমাণ কর।
ঘ) তৃতীয় অনুসিদ্ধানত্ম লিখ এবং প্রমাণ কর।
* * * অধ্যায় ৪ : সংকেত, যোজনী ও সমীকরণ
* * *১। ক) সালফিউরিক এসিডের সংকেত লিখ।
খ) প্রতীক ও সংকেতের মধ্যে দুটি পার্থক্য লিখ।
গ) সালফিউরিক এসিডে সালফারের সুপ্ত যোজনী নির্ণয় কর।
ঘ) উপাদান মৌলের শতকরা সংযুক্তি জানা ছা ড়া সালফিউরিক এসিডের আণবিক সংকেত নির্ণয় করা সম্ভব কিনা তোমার উত্তরের স্বপৰে যুক্তি দাও।
* * ২। ক) রাসায়নিক সমীকরণ কী?
খ) রাসায়নিক সমীকরণ লেখার নিয়ম উলেস্নখ কর।
গ) সংজ্ঞা-পরিবর্তনশীল যোজনী, সক্রিয় যোজনী, সুপ্ত যোজনী।
ঘ) রাসায়নিক সমীকরণের তাৎপর্য বিশেস্নষণ কর।
* * * ৩। ক) আণবিক সংকেত বলতে কী বোঝ?
খ) গাঠনিক সংকেত_ হাইড্রোজেন সায়ানাইড, ইথিলিন, মিথেন।
গ) যৌগমূলক কী? দুইটি ধনাত্মাক ও ঋণাত্মক যৌগমূলকের নাম ও সংকেত লিখ।
ঘ) একটি যৌগে কার্বন ৯৩.৩%; হাইড্রোজেন ৭.৭%। এর আণবিক ভর ৭৮ হলে যৌগটির আণবিক সংকেত বের কর।
* * * অধ্যায় ৫: পরমাণুর গঠন
* * *১। ক) নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান কণিকার নাম কী?
খ) পরমাণু কেন আধানগ্রসত্ম হয়?
গ) কপার পরমাণু ইলেক্ট্রন বিন্যাস ডায়াগ্রামের সাহায্যে দেখিয়ে এর যোজনী নির্ণয় কর।
ঘ) মৌলের নিষ্ক্রিয়তা ও সক্রিয়তা নির্ধারণে-এর ইলেকট্রন বিন্যাস প্রধান ভূমিকা পালন করে_ ব্যাখ্যা কর।
* * *২। ক) পরমাণু কী?
খ) পরমাণু চার্জ নিরপেৰ কেন?
গ) রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল বর্ণনা কর।
ঘ) এ মডেলের সীমাবদ্ধতা উলেস্নখ কর এবং বোর পরমাণু মডেল বিশেস্নষণ কর।
(বিঃ দ্রঃ সারনী ৫.২, ৫.১)
* * * অধ্যায় ৬ : রাসায়নিক বন্ধন
* * * ১। ক) ক চিত্রের মৌলটির নাম কী?
(লেকচার গাইড)
খ) ক এবং খ চিত্রের মৌল দু’টি পরস্পরের মধ্যে বিক্রিয়ায় গঠিত যৌগ কোন ধরনের বন্ধন গঠন করে ব্যাখ্যা কর।
গ) ক চিত্রের মৌলটির সঙ্গে পারমাণবিক সংখ্যা ১৯ বিশিষ্ট মৌলের বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া ডায়াগ্রামের সাহায্যে দেখাও।
ঘ) চিত্রে প্রদত্ত মৌল দুটির পরিবর্তে যদি নাইট্রোজেন এবং হাইড্রোজেন নেওয়া হয় তবে যে ধরনের বন্ধন সৃষ্টি হবে বিশেস্নষণ কর।
* * * ২। ক) নিষ্ক্রিয় গ্যাস কী?
খ) নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহকে অভিজাত গ্যাস বলার কারণ দর্শাও।
গ) পর্যায় সারনীতে এদের অবস্থান বর্ণনা কর।
ঘ) এদের নিষ্ক্রিয়তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
* * ৩। ক) সমযোজী বন্ধন কী?
খ) সমযোজী যৌগের বিভিন্ন অণুর আকৃতি লিখ।
গ) সমযোজী যৌগ পানিতে দ্রবীভূত হয় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ) পানি, মিথেন, এমোনিয়া কী ধরনের যৌগ-তার স্বপৰে যুক্তি দাও।
* * ৪। ক) যোজনী ইলেক্ট্রন কী?
খ) আয়নিক বন্ধন কাকে বলে?
গ) আয়নিক যৌগ পানিতে দ্রবীভূত হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড/ ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড কী ধারণের যৌগ_তার স্বপৰে যুক্তি দাও।
* * অধ্যায় ৭: পর্যায় সারনী
* * *১। ক) প্রদত্ত মৌলগুলো পর্যায় সারনীয় কোন গ্রম্নপের অনত্মর্ভুক্ত?
খ) প্রদত্ত মৌলগুলোকে ঐ গ্রম্নপের রাখা হয়েছে কেন?
গ) ২৪ পারমাণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট মৌলটির ইলেকট্রন বিন্যাস দেখিয়ে পর্যায় সারনীতে এর অবস্থান নির্ণয় কর।
ঘ) ছকের প্রদত্ত মৌলগুলোর রাসায়নিক সক্রিয়তা পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বৃদ্ধির সাথে বেড়ে যায়_ উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
* * *২। ক) আধুনিক পর্যায় সূত্রটি লেখ।
খ) পারমাণবিক ভর পর্যায় সারনীর মূল ভিত্তি নয়_ ব্যাখ্যা কর।
গ) যে কোন পর্যায়ে ও গ্রম্নপে মৌল সমূহের পারমাণবিক আকার কীভাবে পরিবর্তিত হয়_ ব্যাখ্যা কর।
ঘ) কোন মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস হতে পর্যায় সারনীতে তার অবস্থান নির্ণয় করা যায়_ মূল্যায়ন কর।
* * ৩। ক) পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কী?
খ) মৃৎৰার ধাতু কি?
গ) আধুনিক পর্যায় সারনীর বৈশিষ্ট্য লিখ।
ঘ) পর্যায় সারনীর ক্রিয়াশীলতার ক্রম ব্যাখা কর।
* * *অধ্যায় ৮: রাসায়নিক ক্রিয়া
* * * ১। ক) উপরের প্রদত্ত বিক্রিয়ায় কোনটি জারক?
খ) কী কারণে বিক্রিয়াটিক ে জারন বিজারন বিক্রিয়া বলা হয়?
গ) ম্যাগনেসিয়াম ও অঙ্েিজনের মধ্যে সংঘটিত বিক্রিয়াটিও একটি জারন বিজারন প্রক্রিয়া_ প্রমাণ কর।
ঘ) প্রশমন বিক্রিয়ার সাথে উলিস্নখিত বিক্রিয়াটির তুলনামূলক ব্যাখ্যা কর।
* * ২। ক) রাসায়নিক বিক্রিয়া কী?
খ) রাসায়নিক বিক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য লিখ।
গ) সংজ্ঞাঃ সংশ্লেষণ, পানিযোজন, প্রশমন, সমাণুকরণ, পলিমারকরণ।
ঘ) তাপ, আলো, চাপ ও শব্দ কম্পন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কী ভূমিকা রাখে ব্যাখ্যা কর।
* * ৩। ক) জারন ও বিজারনের আধুনিক সংজ্ঞা লিখ
খ) উক্ত বিক্রিয়ায় কোনটি জারক কোনটি বিজারক নির্ধারণ কর।
গ) জারক নিজেই বিজারিত হয় এবং বিজারক নিজেই জারিত হয়_ উপরের বিক্রিয়া দ্বারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ) সনাতন ও ইলেকট্রনিক মতবাদের মাধ্যমে বুঝিয়ে দাও জারন ও বিজারন একই সাথে সংঘটিত হয়েছে।
* * * অধ্যায় ৯ : রাসায়নিক গতিবিদ্যা ও সাম্যাবস্থা
* * * ১। ক)
উভয়মুখী বিক্রিয়া কী?
খ) রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কাকে বলে?
গ) লেখচিত্রটি হতে রাসায়ন িক সাম্যাবস্থার বৈশিষ্ট্য উলেস্নখ কর।
ঘ) সকল রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সাম্যাবস্থার দিকে ধাবমান উক্তিটি বিশেস্নষণ কর।
* * * ৩। ক) লা- শাতেলিয়ে নীতি লিখ।
খ) প্রভাবক কী? দুটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক প্রভাবকের নাম লিখ।
গ) শিল্পৰেত্রে অ্যামোনিয়া /সালফার ট্রাই অঙ্াইড উৎপাদনে লা- শাতেলিয়ে নীতির প্রয়োগ দেখাও।
ঘ) সাম্যাবস্থায় চাপ অথবা তাপমাত্রা পরিবর্তন ের ফলাফল ব্যাখ্যা কর।
* * * অধ্যায় ১০: তড়িৎ বিশ্লেষণ
* * * ১। ক)
ইলেকট্রোপেটিং কী?
খ) এখানে অ্যানোড হিসেবে নিকেল ধাতু নেওয়া হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ) নিকেল সালফেট দ্রবনের মধ্য দিয়ে ০.৫ অ্যাম্পিয়ার মাত্রার তড়িৎ প্রবাহ ১০ মিনিট ধরে চালানো হলো কী পর িমাণ নিকেল সঞ্চিত হবে?
ঘ) ধাতুর তৈরি অলংকার, ঘড়ির চেইন ইত্যাদি দীর্ঘস্থায়ী ও আকর্ষণীয় করার কৌশল চিত্রানুযায়ী ব্যাখ্যা কর।
* * ২। ক) ফ্যারাডের প্রথম চিত্রটি বিবৃত কর।
খ) তড়িৎ বিশেষ্য কী?
গ) তড়িৎ বিশেষণের ক্রিয়া কৌশল ব্যাখ্যা কর।
ঘ) ইলেকট্রোপেটিং করার উদ্দেশ্যসমূহ লিখ।
* * * ৩। ক) তড়িৎ বিশেষণকী?
ক) কপার বিশুদ্ধকরণে অবিশুদ্ধ কপারকে অ্যানোড হিসেবে ব্যবহারের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ) তড়িৎ বিশেষণের মাধ্যমে কীভাবে কপার বিশোধন করা যায়?
ঘ) কপার সালফেটে জলীয় দ্রবণের মধ্য দিয়ে বিদু্যৎ প্রবাহের সময় কী ঘটে বিশেস্নষণ কর।
* * অধ্যায় ১১ : রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শক্তির রূপানত্মর
* * * ১। ক) প্রশমন তাপ কী?
খ) প্রশমন বিক্রিয়ায় ডেলটা এইচের মান ঋণাত্বক হয় কেন?
গ) আলম সাহেব কিভাবে প্রশমন তাপ নির্ণয় করেছিলেন? বর্ণনা কর।
ঘ) সকল তীব্য এসিড ও তীব্র ৰারের প্রশমন তাপ ধ্রম্নবক এবং তা প্রায় ৫৭.৩৪ কি. জুল। উক্তিটি যথার্থতা নিরূপণ কর।
* * ২। ক) শুষ্ক কোষ কী?
খ) শুষ্ক কোষ অকেজো হয়ে যায় কেন?
গ) কোষটির রাসায়নিক পদার্থের নাম চিহ্নিতকরণসহ গঠন ব্যাখ্যা কর।
ঘ) কোষটির আয়ণিক কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।
* * * অধ্যায় ১২ : ধাতু নিষ্কাশন
* * ১।ক) আকরিক কি?
খ) ধাতুর সংকর তৈরি করা হয় কেন?
গ) প্রদত্ত গৃহস্থালি জিনিসপত্রকে ৰয় হওয়া থেকে কিভাবে রৰা করা যায়?
ঘ) লৌহের আকরি থেকে লৌহ নিষ্কাশনের সময় বাত্যাচুলিতে উত্তপ্ত বাতাস প্রবাহের কারণ বিশেস্নষণ কর।
* * * ২। ক) তড়িৎ বিশেষণ কি?
খ) সোডিয়াম ধাতুকে প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না কেন?
গ) তড়িৎ বিশেষণের সাহায্যে মুক্ত সোডিয়াম প্রস্তুতকরণ বর্ণনা কর।
ঘ) সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎ বিশেষণ প্রক্রিয়ায় সোডিয়াম নিষ্কাশনে ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড যোগ করার উপযুক্ততা যাচাই কর।
* * * ৩। ক) কপার পাইরাইটস এর সংকেত লিখ।
খ) কপার পাইরাইটস হতে কপার নিষ্কাশন দুরূহ কেন_ব্যাখ্যা কর।
গ) দৈনন্দিন কাজে কপারের ব্যবহার লিখ
ঘ) অবিশুদ্ধ কপার কোন পদ্ধতিতে বিশুধন করা সর্বোত্তম বিশেস্নষণ কর।
বিঃ দ্রঃ প্রত্যেকটি ধাতুর
দুটি করে আকরিকে নাম ও
সংকেত মুখস্থ করতে হবে।
* * * অধ্যায় ১৩: ধাতু ও ধাতব যৌগের ধর্ম ও ব্যবহার
* * ১। ক) পটাসিয়াম আয়োডাইডের সংকেত লিখ।
খ) এ পরীৰায় লেড আয়োডাইডের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
গ) ০.৫৬ মৌল পটাসিয়াম আয়োডাইডের ভর নির্ণয় কর।
ঘ) সারনীতে প্রদত্ত পটাসিয়ার আয়োডাইডের আয়তন এবং অধঃৰেপের গুরম্নত্ব ব্যবহার করে পরীৰণের ফলাফল লেখচিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা কর।
* * *২। ক) সোডিয়াম পার- অঙ্াইডের সংকেত লিখ
খ) সোডিয়াম ধাতুকে ক্যারোসিনের নিচে রাখা হয় কেন?
গ) সোডিয়াম ধাতুর ব্যবহার উলেস্নখ কর।
ঘ) সোডিয়াম ধাতুর নিষ্কাশন পদ্ধতির বর্ণনা কর।
* * ৩। ক) অনাদ্র সোডিয়াম কার্বনেটের নামকরণ কর।
খ) সোডিয়াম কার্বনেটকে পানির খরতা দূরীকরণে কেন ব্যবহার করা হয়?
গ) কোন কোন কাজে সোডিয়াম কার্বনেট ব্যবহার করা হয়?
ঘ) সোডিয়াম কার্বনেটের জলীয় দ্রবণ ৰারধমর্ী। আয়নিক সমীকরণ দেখিয়ে উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
* *৪। ক) অ্যালুমিনা কি?
খ) অ্যালুমিনা থেকে কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে অও ধাতু নিষ্কাশন করা যায় না কেন_ ব্যাখ্যা কর।
গ) অ্যালুমিনা একটি উভধর্মী অঙ্াইড প্রমাণ কর।
ঘ) অ্যালুমিনা উৎপাদনের মাধ্যমে বঙ্াইটের বিশোধন প্রক্রিয়া বিশেস্নষণ কর।
* * * ৫। ক) টীকা : ইগসম লবণ
খ) ক্যালসিয়াম আয়নের পরীৰা
গ) বিচিং পাউডার কিভাবে উৎপন্ন করা যায়?
ঘ) কলিচুন কি? এর ধর্ম ও ব্যবহার লিখ।
* * ৬। ক) জিপসাম কি? প্যারিস পাস্কার কি?
খ) অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহার উলেস্নখ কর।
গ) কোয়ান্ডাম কি? ব্যাখ্যা কর।
ঘ) পটাস এলাম কি? অ্যালুমিনিয়াম আয়নের পরীৰা সনাক্ত কর।
* * *৭।ক) সাদা ভিট্রিয়ল কি?
খ) আয়রনের নিষ্ক্রিয় অবস্থা বর্ণনা কর।
গ) আয়তন (রর), (ররর) আয়ন সনাক্তকরণ পরীৰা লিখ।
ঘ) সবুজ ভিট্রিয়ল কি?
* * ৮। ক) রেডলেড কি?
খ) লেড আয়ন সনাক্তকরণ পরীৰা লিখ।
গ) বু ভিট্রিয়ল কি? (টীকা)
ঘ) কপার আয়ন সনাক্তকরণ পরীৰা লিখ।
* * অধ্যায় ১৪: কতিপয় প্রয়োজনীয় ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অধাতুর রসায়ন
* * ১। ক) এসিড বৃষ্টি কি?
খ) স্থানটিতে এসিড বৃষ্টি কেন হয়েছে?
গ) ঐ স্থানে কীভাবে এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি হয়েছিল তা রাসায়নিক বিক্রিয়াসহ বর্ণনা কর।
ঘ) উদ্দীপকে প্রদত্ত কারণ ছাড়াও এসিড বৃষ্টি হওয়ার অন্যান্য কারণ উলেস্নখপূর্বক পরিবেশের উপর এর প্রবাব মূল্যায়ন কর।
* * ২। ক) সোডিয়াম
কার্বনেটের (Na2CO3) আণবিক ভর কত?
খ) CO কে নীরব ঘাতক বলা হয় কেন?
গ) কীভাবে CO2 কে শনাক্তকরণ করা যায়?
ঘ) বিভিন্ন শিল্পে সোডা অ্যাস এর গুরম্নত্ব মূল্যায়ন কর।
* * * ৩। ক) হ্যালোজেন কাকে বলে?
খ) সমযোজী বন্ধন দ্বারা হ্যালোজেন অণু গঠনের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ) ক্লোরিন, ব্রোমিন ও আয়োডিন একই গ্রম্নপের মৌল পরীৰা দ্বারা প্রমাণ কর।
ঘ) হ্যালোজেন মৌলসমূহের পারমাণবিক সংখ্যার ক্রমবৃদ্ধি অনুসারে তাদের রাসায়নিক ধর্মের পরিবর্তনগুলো উপস্থাপন কর।
* * * ৪। ক) ড্রাই আইস কি?
খ) CO কে কেন নীরব ঘাতক বলা হয়?
গ) CO2 এর ব্যবহার লিখ।
ঘ) টীকা : CaC3
* * *৫। ক) হীরক কেন বিদুৎ পরিবহন করেন?
খ) গ্রাফাইটের গঠন লিখ।
গ) গ্রাফাইটের ধর্ম ও ব্যবহার লিখ
ঘ) ডায়মন্ড ও গ্রাফাইট একই মৌলের রূপভেদ প্রমাণ কর।
* * ৬। ক) C ও S; এর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য লিখ।
ক) অ্যামোনিয়াম লবণের পরীৰা লিখ
গ) লাঢিং গ্যাস কি? এটি কিভাবে তৈরি করা যায়?
ঘ) এসিড হিসেবে নাইট্রিক এসিডের সক্রিয়তা ব্যাখা কর।
* * ৭। ক) ফসফরাসের পারস্পরিক রূপানত্মর ব্যাখা কর।
খ) ফসফরাসের ব্যবহার লিখ।
গ) স্পর্শ পদ্ধতির মূলনীতি লিখ।
ঘ) এসিড হিসেবে সালফিউরিক এসিডের ক্রিয়া ব্যাখা কর।
* * * ৮।ক) সালফেট ও সালফাইড আয়নের পরীৰা লিখ।
খ) হ্যালোজেন যে একই গ্রম্নপের মৌল তার পরীৰামূলক প্রমাণ দাও।
গ) ক্লোরিন ক্লোরাইড আয়নের পারস্পরিক রূপানত্মর ব্যাখ্যা কর।
ঘ) ক্লোরাইড আয়নের পরীৰা লিখ।
* * * অধ্যায় ১৫: জৈব যৌগ
* * * ১। ক) ইথানয়িক এসিডের কার্যকরী মূলকের নাম লিখ।
খ) ইথানয়িক এসিডের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক ইথানলের চেয়ে বেশি হওয়ার কারণ উলেস্নখ কর।
গ) ইথানয়িক এসিডে যে ঙঐ গ্রম্নপ আছে তা কিভাবে প্রমাণ করবে?
ঘ) ইথানয়িক এডিস একটি এসিড, তিনটি পরীৰা দ্বারা উক্ত িটির যথার্থতা নিরম্নপণকর।
* * ২। ক) ডিটারজেন্ট কী?
খ) সাবান ও ডিটারজেন্টের মধ্যে পার্থক্য উলেস্নখ কর।
গ) ডিটাজেন্ট কিভাবে ময়লা পরিষ্কার করে? বর্ণনা দাও।
ঘ) ময়লা পরিষ্কারকরণে সাব ান অপেৰা ডিটাজেন্ট ব্যবহার সুবিধাজনক। _উক্তিটির যথার্থতা যাচাই কর।
* * *৩। ক) হাইড্রোকার্বন কি?
খ) অ্যালকিনের পলিমার গঠন বিক্রিয়াটি উলেস্নখ কর।
গ) অসস্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন হতে কিভাবে সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন পাবে? সমীকরণসহ লিখ।
ঘ) সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনকে পৃথক করার জন্য তুমি কি উপায় অবলম্বন করবে তা উদঘাটন কর।
* * * ৪। ক) জৈব যৌগের রাচুর্যের কারণ লিখ।
খ) কার্যকরী মূলক কি? বিভিন্ন যৌগের কার্যকরী মূলক লিখ।** অধ্যায় ১ : পদার্থের অবস্থা ও পরিবর্তন
* * * ১। ক) জানালার গ্রিলে পড়া বাদামি আসত্ মরণের নাম কী?
খ) জানালার গ্রিলে পড়া বাদামি আসত্ মরণ কী ধরনের পরিবর্তন ব্যাখ্যা কর।
গ) বাদামি আসত্মরণ পড়া থেকে জানালার গ্রিলকে কীভাবে মুক্ত রাখা যায়? বর্ণনা কর।
ঘ) মোমবাতির দহনে ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধরনের পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে_ বিশেস্নষণ কর।
* * * ২। ক) আনত্মঃআণবিক শক্তি কী?
খ) গলনাংক ও স্ফুটনাংক বলতে কী বুঝ?
গ) আন্তঃআণবিক শক্তি বৃদ্ধিতে পদার্থের গলনাংক ও স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় কেন?
ঘ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণশক্তি ও গতিশক্তির উপর পদার্থের ভৌত অবস্থা নির্ভরশীল_ব্যাখ্যা কর।
* * ৩। ক) রাসায়নিক পরিবর্তন কাকে বলে?
খ) ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তনের দুটি করে বৈশিষ্ট্য উলেস্নখ কর।
গ) লোহার উপর মরিচা পড়া, কপারকে তাপ প্রয়োগে গলানো, আয়রন ও সালফারের বিক্রিয়া প্রভৃতি কী ধরনের পরিবর্তন কারণসহ লিখ।
ঘ) রাসায়নিক পরিবর্তন তাপীয় পরিবর্তনের কারণ উদাহরণসহ বিশেস্নষণ কর।
* * অধ্যায় ২ : পদার্থের গঠন
* * * ১। ক) রাসায়নিক সংযোগ সূত্র কী?
খ) ছকে প্রদত্ত ইথেন যৌগে কার্বন (২০%) ও হাইড্রোজেন (৮০%), এ উপাত্ত স্থির অনুপাত সূত্রকে সমর্থন করে-ব্যাখ্যা কর।
গ) ছকে উপাত্তগুলো কোন রাসায়নিক সূত্রকে সমর্থন করে তা প্রমাণ কর।
ঘ) কার্বন ও অক্সিজেন যুক্ত হয়ে কার্বন-ডাই অঙ্াইড উৎপন্ন করে যাতে অঙ্েিজনের পরিমাণ ৭২.৭৩%, পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ ৮৮.৮৯% এবং কার্বন হাইড্রোজেনের একটি যৌগ মিথেনে কার্বনের পরিমাণ ৭৫%। এ উপাত্তগুলো কী ছকে প্রদত্ত উপাত্ত সংশিস্নষ্ট সূত্রকে সমর্থন করে_যুক্তি দাও।
* * * ২। ক) কে ব্রাউনীয় গতি আবিষ্কার করেন?
খ) ব্রাডনীয় গতি সরল রৈখিক না হয়ে আঁকাবাঁকা হয় কেন?
গ) কোলয়েড কণার ক্ষেত্রে ব্রাউনীয় গতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ) ব্রাউনীয় গতির উদাহরণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিলৰিত হয়_ আলোচনা কর।
* * *৩। ক) পরমাণুর মূল কণিকা কী?
খ) পারমাণবিক ও আণবিক ভর বলতে কী বোঝায়?
গ) পরমাণুর স্থায়ী মূল কণিকার চার্জের প্রকৃতি ভর ও অবস্থান উলেস্নখ করে ছক তৈরি কর।
* * * ৪। ক) গুণানুপাত সূত্রটি কে আবিষ্কার করেন?
খ) গ্যাস আয়তন সূত্রটি প্রদত্ত সূত্র থেকে ভিন্ন কেন?
গ) প্রতিটি যৌগের এর ভরের অনুপাত নির্ণয় কর।
ঘ) প্রদত্ত উপাত্তটি কোন রাসায়নিক সূত্রকে সমর্থন করে?
* * *অধ্যায় ৩ : অ্যাভোগেড্রোর সূত্র
* *১। ক) এক মোল গ্যাসে উপস্থিত অণুর সংখ্যা কত?
খ) গ্যাসের অণুর সংখ্যা ওআয়তনের মধ্যে সম্পর্ক প্রকাশকারী সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।
গ) এঙ্ গ্যাসের অণুতে পরমাণুর সংখ্যা নির্ণয় কর।
ঘ) এঙ্ গ্যাসটি সনাক্ত কর।
* * * ২। ক) অ্যাভেগেড্রোর সংখ্যা কাকে বলে?
খ) অ্যাভোগেড্রোর সূত্র এবং সূত্রের গুরম্নত্ব ও প্রয়োগ উলেস্নখ কর।
গ) আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপে ৫০ গ্রাম কার্বন-ডাই অঙ্াইড গ্যাসের আয়তন কত?
ঘ) একটি কার্বন পরমাণুর ভর এবং একটি পানির অণুর ভর নির্ণয় কর।
* * ৩। ক) বাষ্প ঘনত্ব কী?
খ) সংজ্ঞা-মোলার আয়তন, প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপ।
গ) দ্বিতীয় অনুসিদ্ধানত্ম লিখ এবং প্রমাণ কর।
ঘ) তৃতীয় অনুসিদ্ধানত্ম লিখ এবং প্রমাণ কর।
* * * অধ্যায় ৪ : সংকেত, যোজনী ও সমীকরণ
* * *১। ক) সালফিউরিক এসিডের সংকেত লিখ।
খ) প্রতীক ও সংকেতের মধ্যে দুটি পার্থক্য লিখ।
গ) সালফিউরিক এসিডে সালফারের সুপ্ত যোজনী নির্ণয় কর।
ঘ) উপাদান মৌলের শতকরা সংযুক্তি জানা ছা ড়া সালফিউরিক এসিডের আণবিক সংকেত নির্ণয় করা সম্ভব কিনা তোমার উত্তরের স্বপৰে যুক্তি দাও।
* * ২। ক) রাসায়নিক সমীকরণ কী?
খ) রাসায়নিক সমীকরণ লেখার নিয়ম উলেস্নখ কর।
গ) সংজ্ঞা-পরিবর্তনশীল যোজনী, সক্রিয় যোজনী, সুপ্ত যোজনী।
ঘ) রাসায়নিক সমীকরণের তাৎপর্য বিশেস্নষণ কর।
* * * ৩। ক) আণবিক সংকেত বলতে কী বোঝ?
খ) গাঠনিক সংকেত_ হাইড্রোজেন সায়ানাইড, ইথিলিন, মিথেন।
গ) যৌগমূলক কী? দুইটি ধনাত্মাক ও ঋণাত্মক যৌগমূলকের নাম ও সংকেত লিখ।
ঘ) একটি যৌগে কার্বন ৯৩.৩%; হাইড্রোজেন ৭.৭%। এর আণবিক ভর ৭৮ হলে যৌগটির আণবিক সংকেত বের কর।
* * * অধ্যায় ৫: পরমাণুর গঠন
* * *১। ক) নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান কণিকার নাম কী?
খ) পরমাণু কেন আধানগ্রসত্ম হয়?
গ) কপার পরমাণু ইলেক্ট্রন বিন্যাস ডায়াগ্রামের সাহায্যে দেখিয়ে এর যোজনী নির্ণয় কর।
ঘ) মৌলের নিষ্ক্রিয়তা ও সক্রিয়তা নির্ধারণে-এর ইলেকট্রন বিন্যাস প্রধান ভূমিকা পালন করে_ ব্যাখ্যা কর।
* * *২। ক) পরমাণু কী?
খ) পরমাণু চার্জ নিরপেৰ কেন?
গ) রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল বর্ণনা কর।
ঘ) এ মডেলের সীমাবদ্ধতা উলেস্নখ কর এবং বোর পরমাণু মডেল বিশেস্নষণ কর।
(বিঃ দ্রঃ সারনী ৫.২, ৫.১)
* * * অধ্যায় ৬ : রাসায়নিক বন্ধন
* * * ১। ক) ক চিত্রের মৌলটির নাম কী?
(লেকচার গাইড)
খ) ক এবং খ চিত্রের মৌল দু’টি পরস্পরের মধ্যে বিক্রিয়ায় গঠিত যৌগ কোন ধরনের বন্ধন গঠন করে ব্যাখ্যা কর।
গ) ক চিত্রের মৌলটির সঙ্গে পারমাণবিক সংখ্যা ১৯ বিশিষ্ট মৌলের বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া ডায়াগ্রামের সাহায্যে দেখাও।
ঘ) চিত্রে প্রদত্ত মৌল দুটির পরিবর্তে যদি নাইট্রোজেন এবং হাইড্রোজেন নেওয়া হয় তবে যে ধরনের বন্ধন সৃষ্টি হবে বিশেস্নষণ কর।
* * * ২। ক) নিষ্ক্রিয় গ্যাস কী?
খ) নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহকে অভিজাত গ্যাস বলার কারণ দর্শাও।
গ) পর্যায় সারনীতে এদের অবস্থান বর্ণনা কর।
ঘ) এদের নিষ্ক্রিয়তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
* * ৩। ক) সমযোজী বন্ধন কী?
খ) সমযোজী যৌগের বিভিন্ন অণুর আকৃতি লিখ।
গ) সমযোজী যৌগ পানিতে দ্রবীভূত হয় না কেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ) পানি, মিথেন, এমোনিয়া কী ধরনের যৌগ-তার স্বপৰে যুক্তি দাও।
* * ৪। ক) যোজনী ইলেক্ট্রন কী?
খ) আয়নিক বন্ধন কাকে বলে?
গ) আয়নিক যৌগ পানিতে দ্রবীভূত হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।
ঘ) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড/ ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড কী ধারণের যৌগ_তার স্বপৰে যুক্তি দাও।
* * অধ্যায় ৭: পর্যায় সারনী
* * *১। ক) প্রদত্ত মৌলগুলো পর্যায় সারনীয় কোন গ্রম্নপের অনত্মর্ভুক্ত?
খ) প্রদত্ত মৌলগুলোকে ঐ গ্রম্নপের রাখা হয়েছে কেন?
গ) ২৪ পারমাণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট মৌলটির ইলেকট্রন বিন্যাস দেখিয়ে পর্যায় সারনীতে এর অবস্থান নির্ণয় কর।
ঘ) ছকের প্রদত্ত মৌলগুলোর রাসায়নিক সক্রিয়তা পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বৃদ্ধির সাথে বেড়ে যায়_ উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
* * *২। ক) আধুনিক পর্যায় সূত্রটি লেখ।
খ) পারমাণবিক ভর পর্যায় সারনীর মূল ভিত্তি নয়_ ব্যাখ্যা কর।
গ) যে কোন পর্যায়ে ও গ্রম্নপে মৌল সমূহের পারমাণবিক আকার কীভাবে পরিবর্তিত হয়_ ব্যাখ্যা কর।
ঘ) কোন মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস হতে পর্যায় সারনীতে তার অবস্থান নির্ণয় করা যায়_ মূল্যায়ন কর।
* * ৩। ক) পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কী?
খ) মৃৎৰার ধাতু কি?
গ) আধুনিক পর্যায় সারনীর বৈশিষ্ট্য লিখ।
ঘ) পর্যায় সারনীর ক্রিয়াশীলতার ক্রম ব্যাখা কর।
* * *অধ্যায় ৮: রাসায়নিক ক্রিয়া
* * * ১। ক) উপরের প্রদত্ত বিক্রিয়ায় কোনটি জারক?
খ) কী কারণে বিক্রিয়াটিক ে জারন বিজারন বিক্রিয়া বলা হয়?
গ) ম্যাগনেসিয়াম ও অঙ্েিজনের মধ্যে সংঘটিত বিক্রিয়াটিও একটি জারন বিজারন প্রক্রিয়া_ প্রমাণ কর।
ঘ) প্রশমন বিক্রিয়ার সাথে উলিস্নখিত বিক্রিয়াটির তুলনামূলক ব্যাখ্যা কর।
* * ২। ক) রাসায়নিক বিক্রিয়া কী?
খ) রাসায়নিক বিক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য লিখ।
গ) সংজ্ঞাঃ সংশ্লেষণ, পানিযোজন, প্রশমন, সমাণুকরণ, পলিমারকরণ।
ঘ) তাপ, আলো, চাপ ও শব্দ কম্পন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কী ভূমিকা রাখে ব্যাখ্যা কর।
* * ৩। ক) জারন ও বিজারনের আধুনিক সংজ্ঞা লিখ
খ) উক্ত বিক্রিয়ায় কোনটি জারক কোনটি বিজারক নির্ধারণ কর।
গ) জারক নিজেই বিজারিত হয় এবং বিজারক নিজেই জারিত হয়_ উপরের বিক্রিয়া দ্বারা ব্যাখ্যা কর।
ঘ) সনাতন ও ইলেকট্রনিক মতবাদের মাধ্যমে বুঝিয়ে দাও জারন ও বিজারন একই সাথে সংঘটিত হয়েছে।
* * * অধ্যায় ৯ : রাসায়নিক গতিবিদ্যা ও সাম্যাবস্থা
* * * ১। ক)
উভয়মুখী বিক্রিয়া কী?
খ) রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কাকে বলে?
গ) লেখচিত্রটি হতে রাসায়ন িক সাম্যাবস্থার বৈশিষ্ট্য উলেস্নখ কর।
ঘ) সকল রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সাম্যাবস্থার দিকে ধাবমান উক্তিটি বিশেস্নষণ কর।
* * * ৩। ক) লা- শাতেলিয়ে নীতি লিখ।
খ) প্রভাবক কী? দুটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক প্রভাবকের নাম লিখ।
গ) শিল্পৰেত্রে অ্যামোনিয়া /সালফার ট্রাই অঙ্াইড উৎপাদনে লা- শাতেলিয়ে নীতির প্রয়োগ দেখাও।
ঘ) সাম্যাবস্থায় চাপ অথবা তাপমাত্রা পরিবর্তন ের ফলাফল ব্যাখ্যা কর।
* * * অধ্যায় ১০: তড়িৎ বিশ্লেষণ
* * * ১। ক)
ইলেকট্রোপেটিং কী?
খ) এখানে অ্যানোড হিসেবে নিকেল ধাতু নেওয়া হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ) নিকেল সালফেট দ্রবনের মধ্য দিয়ে ০.৫ অ্যাম্পিয়ার মাত্রার তড়িৎ প্রবাহ ১০ মিনিট ধরে চালানো হলো কী পর িমাণ নিকেল সঞ্চিত হবে?
ঘ) ধাতুর তৈরি অলংকার, ঘড়ির চেইন ইত্যাদি দীর্ঘস্থায়ী ও আকর্ষণীয় করার কৌশল চিত্রানুযায়ী ব্যাখ্যা কর।
* * ২। ক) ফ্যারাডের প্রথম চিত্রটি বিবৃত কর।
খ) তড়িৎ বিশেষ্য কী?
গ) তড়িৎ বিশেষণের ক্রিয়া কৌশল ব্যাখ্যা কর।
ঘ) ইলেকট্রোপেটিং করার উদ্দেশ্যসমূহ লিখ।
* * * ৩। ক) তড়িৎ বিশেষণকী?
ক) কপার বিশুদ্ধকরণে অবিশুদ্ধ কপারকে অ্যানোড হিসেবে ব্যবহারের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ) তড়িৎ বিশেষণের মাধ্যমে কীভাবে কপার বিশোধন করা যায়?
ঘ) কপার সালফেটে জলীয় দ্রবণের মধ্য দিয়ে বিদু্যৎ প্রবাহের সময় কী ঘটে বিশেস্নষণ কর।
* * অধ্যায় ১১ : রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শক্তির রূপানত্মর
* * * ১। ক) প্রশমন তাপ কী?
খ) প্রশমন বিক্রিয়ায় ডেলটা এইচের মান ঋণাত্বক হয় কেন?
গ) আলম সাহেব কিভাবে প্রশমন তাপ নির্ণয় করেছিলেন? বর্ণনা কর।
ঘ) সকল তীব্য এসিড ও তীব্র ৰারের প্রশমন তাপ ধ্রম্নবক এবং তা প্রায় ৫৭.৩৪ কি. জুল। উক্তিটি যথার্থতা নিরূপণ কর।
* * ২। ক) শুষ্ক কোষ কী?
খ) শুষ্ক কোষ অকেজো হয়ে যায় কেন?
গ) কোষটির রাসায়নিক পদার্থের নাম চিহ্নিতকরণসহ গঠন ব্যাখ্যা কর।
ঘ) কোষটির আয়ণিক কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।
* * * অধ্যায় ১২ : ধাতু নিষ্কাশন
* * ১।ক) আকরিক কি?
খ) ধাতুর সংকর তৈরি করা হয় কেন?
গ) প্রদত্ত গৃহস্থালি জিনিসপত্রকে ৰয় হওয়া থেকে কিভাবে রৰা করা যায়?
ঘ) লৌহের আকরি থেকে লৌহ নিষ্কাশনের সময় বাত্যাচুলিতে উত্তপ্ত বাতাস প্রবাহের কারণ বিশেস্নষণ কর।
* * * ২। ক) তড়িৎ বিশেষণ কি?
খ) সোডিয়াম ধাতুকে প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না কেন?
গ) তড়িৎ বিশেষণের সাহায্যে মুক্ত সোডিয়াম প্রস্তুতকরণ বর্ণনা কর।
ঘ) সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎ বিশেষণ প্রক্রিয়ায় সোডিয়াম নিষ্কাশনে ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড যোগ করার উপযুক্ততা যাচাই কর।
* * * ৩। ক) কপার পাইরাইটস এর সংকেত লিখ।
খ) কপার পাইরাইটস হতে কপার নিষ্কাশন দুরূহ কেন_ব্যাখ্যা কর।
গ) দৈনন্দিন কাজে কপারের ব্যবহার লিখ
ঘ) অবিশুদ্ধ কপার কোন পদ্ধতিতে বিশুধন করা সর্বোত্তম বিশেস্নষণ কর।
বিঃ দ্রঃ প্রত্যেকটি ধাতুর
দুটি করে আকরিকে নাম ও
সংকেত মুখস্থ করতে হবে।
* * * অধ্যায় ১৩: ধাতু ও ধাতব যৌগের ধর্ম ও ব্যবহার
* * ১। ক) পটাসিয়াম আয়োডাইডের সংকেত লিখ।
খ) এ পরীৰায় লেড আয়োডাইডের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
গ) ০.৫৬ মৌল পটাসিয়াম আয়োডাইডের ভর নির্ণয় কর।
ঘ) সারনীতে প্রদত্ত পটাসিয়ার আয়োডাইডের আয়তন এবং অধঃৰেপের গুরম্নত্ব ব্যবহার করে পরীৰণের ফলাফল লেখচিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা কর।
* * *২। ক) সোডিয়াম পার- অঙ্াইডের সংকেত লিখ
খ) সোডিয়াম ধাতুকে ক্যারোসিনের নিচে রাখা হয় কেন?
গ) সোডিয়াম ধাতুর ব্যবহার উলেস্নখ কর।
ঘ) সোডিয়াম ধাতুর নিষ্কাশন পদ্ধতির বর্ণনা কর।
* * ৩। ক) অনাদ্র সোডিয়াম কার্বনেটের নামকরণ কর।
খ) সোডিয়াম কার্বনেটকে পানির খরতা দূরীকরণে কেন ব্যবহার করা হয়?
গ) কোন কোন কাজে সোডিয়াম কার্বনেট ব্যবহার করা হয়?
ঘ) সোডিয়াম কার্বনেটের জলীয় দ্রবণ ৰারধমর্ী। আয়নিক সমীকরণ দেখিয়ে উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
* *৪। ক) অ্যালুমিনা কি?
খ) অ্যালুমিনা থেকে কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে অও ধাতু নিষ্কাশন করা যায় না কেন_ ব্যাখ্যা কর।
গ) অ্যালুমিনা একটি উভধর্মী অঙ্াইড প্রমাণ কর।
ঘ) অ্যালুমিনা উৎপাদনের মাধ্যমে বঙ্াইটের বিশোধন প্রক্রিয়া বিশেস্নষণ কর।
* * * ৫। ক) টীকা : ইগসম লবণ
খ) ক্যালসিয়াম আয়নের পরীৰা
গ) বিচিং পাউডার কিভাবে উৎপন্ন করা যায়?
ঘ) কলিচুন কি? এর ধর্ম ও ব্যবহার লিখ।
* * ৬। ক) জিপসাম কি? প্যারিস পাস্কার কি?
খ) অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহার উলেস্নখ কর।
গ) কোয়ান্ডাম কি? ব্যাখ্যা কর।
ঘ) পটাস এলাম কি? অ্যালুমিনিয়াম আয়নের পরীৰা সনাক্ত কর।
* * *৭।ক) সাদা ভিট্রিয়ল কি?
খ) আয়রনের নিষ্ক্রিয় অবস্থা বর্ণনা কর।
গ) আয়তন (রর), (ররর) আয়ন সনাক্তকরণ পরীৰা লিখ।
ঘ) সবুজ ভিট্রিয়ল কি?
* * ৮। ক) রেডলেড কি?
খ) লেড আয়ন সনাক্তকরণ পরীৰা লিখ।
গ) বু ভিট্রিয়ল কি? (টীকা)
ঘ) কপার আয়ন সনাক্তকরণ পরীৰা লিখ।
* * অধ্যায় ১৪: কতিপয় প্রয়োজনীয় ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অধাতুর রসায়ন
* * ১। ক) এসিড বৃষ্টি কি?
খ) স্থানটিতে এসিড বৃষ্টি কেন হয়েছে?
গ) ঐ স্থানে কীভাবে এসিড বৃষ্টি সৃষ্টি হয়েছিল তা রাসায়নিক বিক্রিয়াসহ বর্ণনা কর।
ঘ) উদ্দীপকে প্রদত্ত কারণ ছাড়াও এসিড বৃষ্টি হওয়ার অন্যান্য কারণ উলেস্নখপূর্বক পরিবেশের উপর এর প্রবাব মূল্যায়ন কর।
* * ২। ক) সোডিয়াম
কার্বনেটের (Na2CO3) আণবিক ভর কত?
খ) CO কে নীরব ঘাতক বলা হয় কেন?
গ) কীভাবে CO2 কে শনাক্তকরণ করা যায়?
ঘ) বিভিন্ন শিল্পে সোডা অ্যাস এর গুরম্নত্ব মূল্যায়ন কর।
* * * ৩। ক) হ্যালোজেন কাকে বলে?
খ) সমযোজী বন্ধন দ্বারা হ্যালোজেন অণু গঠনের কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ) ক্লোরিন, ব্রোমিন ও আয়োডিন একই গ্রম্নপের মৌল পরীৰা দ্বারা প্রমাণ কর।
ঘ) হ্যালোজেন মৌলসমূহের পারমাণবিক সংখ্যার ক্রমবৃদ্ধি অনুসারে তাদের রাসায়নিক ধর্মের পরিবর্তনগুলো উপস্থাপন কর।
* * * ৪। ক) ড্রাই আইস কি?
খ) CO কে কেন নীরব ঘাতক বলা হয়?
গ) CO2 এর ব্যবহার লিখ।
ঘ) টীকা : CaC3
* * *৫। ক) হীরক কেন বিদুৎ পরিবহন করেন?
খ) গ্রাফাইটের গঠন লিখ।
গ) গ্রাফাইটের ধর্ম ও ব্যবহার লিখ
ঘ) ডায়মন্ড ও গ্রাফাইট একই মৌলের রূপভেদ প্রমাণ কর।
* * ৬। ক) C ও S; এর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য লিখ।
ক) অ্যামোনিয়াম লবণের পরীৰা লিখ
গ) লাঢিং গ্যাস কি? এটি কিভাবে তৈরি করা যায়?
ঘ) এসিড হিসেবে নাইট্রিক এসিডের সক্রিয়তা ব্যাখা কর।
* * ৭। ক) ফসফরাসের পারস্পরিক রূপানত্মর ব্যাখা কর।
খ) ফসফরাসের ব্যবহার লিখ।
গ) স্পর্শ পদ্ধতির মূলনীতি লিখ।
ঘ) এসিড হিসেবে সালফিউরিক এসিডের ক্রিয়া ব্যাখা কর।
* * * ৮।ক) সালফেট ও সালফাইড আয়নের পরীৰা লিখ।
খ) হ্যালোজেন যে একই গ্রম্নপের মৌল তার পরীৰামূলক প্রমাণ দাও।
গ) ক্লোরিন ক্লোরাইড আয়নের পারস্পরিক রূপানত্মর ব্যাখ্যা কর।
ঘ) ক্লোরাইড আয়নের পরীৰা লিখ।
* * * অধ্যায় ১৫: জৈব যৌগ
* * * ১। ক) ইথানয়িক এসিডের কার্যকরী মূলকের নাম লিখ।
খ) ইথানয়িক এসিডের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক ইথানলের চেয়ে বেশি হওয়ার কারণ উলেস্নখ কর।
গ) ইথানয়িক এসিডে যে ঙঐ গ্রম্নপ আছে তা কিভাবে প্রমাণ করবে?
ঘ) ইথানয়িক এডিস একটি এসিড, তিনটি পরীৰা দ্বারা উক্ত িটির যথার্থতা নিরম্নপণকর।
* * ২। ক) ডিটারজেন্ট কী?
খ) সাবান ও ডিটারজেন্টের মধ্যে পার্থক্য উলেস্নখ কর।
গ) ডিটাজেন্ট কিভাবে ময়লা পরিষ্কার করে? বর্ণনা দাও।
ঘ) ময়লা পরিষ্কারকরণে সাব ান অপেৰা ডিটাজেন্ট ব্যবহার সুবিধাজনক। _উক্তিটির যথার্থতা যাচাই কর।
* * *৩। ক) হাইড্রোকার্বন কি?
খ) অ্যালকিনের পলিমার গঠন বিক্রিয়াটি উলেস্নখ কর।
গ) অসস্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন হতে কিভাবে সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন পাবে? সমীকরণসহ লিখ।
ঘ) সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনকে পৃথক করার জন্য তুমি কি উপায় অবলম্বন করবে তা উদঘাটন কর।
* * * ৪। ক) জৈব যৌগের রাচুর্যের কারণ লিখ।
গ) জৈব যৌগের শ্রেণী বিভাগ আলোচনা কর।
ঘ) সমানুতা কি ব্যাখ্যা কর।
* * ৫। ক) অ্যালকেনের প্রস্তুতি আলোচনা কর।
খ) অ্যালকিনের প্রস্তুতি বর্ণনা কর।
গ) অ্যালকিনের রাসায়নিক ধর্ম লিখ।
ঘ) কোন বিক্রিয়া দ্বারা অ্যালক েন ও অ্যালকিনকে পৃথক করা যায়?
* * * ৬। ক) সাবান কি?
খ) বিশুদ্ধ ইথানয়িক এসিড গাসিয়াল অ্যাসিটিক এসিড বলা হয় কেন?
গ) ফ্যাটি এসিডের নামকরণ কিভাবে করা হয়?
ঘ) ইথানলের ব্যবহার লিখ।
* * ৭। ক) অ্যালকোহল কি?
খ) ফ্যাটি এসিড বলতে কি বোঝ?
গ) অ্যালকোহলের শিল্পাৎপাদন বর্ণনা কর।
ঘ) ফ্যাটি এসিডের রাসায়নিক ধর্ম লিখ।
২০১৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা দ্বিতীয়পত্র
২৭ ডিসেম্বর, ২০১৪ ইং- দৈনিক ইত্তেফাক
বাংলা ভাষার সমস্ত শব্দকে তিনটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিভক্ত করা যায়
মো. সুজাউদ দৌলা
সিনিয়র প্রভাষক — বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা
শব্দের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে ভারত উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫ — ১৯৬৯) বলেন — “অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলে।”
প্রশ্ন : অর্থানুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।
শব্দের সংজ্ঞা : কিছু ধ্বনি উচ্চারিত হয়ে বা বর্ণ একত্রে বসে যদি কোনো
নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে তবে তাকে শব্দ বলে। যেমন : কলম, সাগর, পাখি
ইত্যাদি।
শব্দের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে ভারত উপমহাদেশের অন্যতম
শ্রেষ্ঠ ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫ — ১৯৬৯) বলেন — “অর্থবোধক
ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলে।”
বাংলা ভাষার সমস্ত শব্দকে
তিনটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিভক্ত করা যায়। যথা— উত্সানুসারে, অর্থানুসারে এবং
গঠনানুসারে। আমাদের আলোচ্য বিষয় অর্থানুসারে শ্রেণিবিভাগ। অর্থানুসারে
শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। নিম্নে সে সম্বন্ধে আলোচনা করা হলো—
ক) যৌগিক শব্দ: যে সকল শব্দের ব্যুত্পত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে। যেমন:
গায়ক = গৈ + অক —অর্থ : গান করে যে।
কর্তব্য = কৃ +তব্য —অর্থ : যা করা উচিত্।
মধুর = মধু + র —অর্থ : মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত ইত্যাদি।
খ) রূঢ়ি শব্দ: প্রত্যয়, উপসর্গ, সন্ধি প্রভৃতি নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ
ব্যুত্পত্তিগত অর্থ পরিত্যাগ করে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে
তাদেরকে রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন:
হস্তী = হস্ত + ইন, অর্থ — হস্ত আছে যার; কিন্তু ‘হস্তী’ বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
গবেষণা = গো + এষণা, অর্থ — গরু খোঁজা; কিন্তু ‘গবেষণা’ বলতে ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা বোঝায়।
এরূপ বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ ইত্যাদি।
গ) যোগরূঢ় শব্দ: সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান
পদসমূহের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাদেরকে যোগরূঢ়
শব্দ বলে। যেমন:
জলধি — ‘জল ধারণ করে এমন’ অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ রূপে অর্থ ‘সমুদ্র’।
রাজপুত — ‘রাজার পুত্র’ অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ রূপে অর্থ ‘জাতি বিশেষ’।
পঙ্কজ, মহাযাত্রা, জলধি ইত্যাদি।
প্রশ্ন : উত্স বা উত্পত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহের শ্রেণিবিভাগ উল্লেখ কর।
শব্দের সংজ্ঞা : কিছু ধ্বনি উচ্চারিত হয়ে বা বর্ণ একত্রে বসে যদি কোনো
নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে তবে তাকে শব্দ বলে। যেমন : কলম, সাগর, পাখি
ইত্যাদি।
শব্দের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫ — ১৯৬৯) বলেন — “অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলে।”
বাংলা ভাষার সমস্ত শব্দকে তিনটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিভক্ত করা যায়। যথা—
উত্সানুসারে, অর্থানুসারে এবং গঠনানুসারে। আমাদের আলোচ্য বিষয় উত্সানুসারে
শ্রেণিবিভাগ। উত্সানুসারে শব্দকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। নিম্নে সে
সম্বন্ধে আলোচনা করা হলো—
ক.তত্সম শব্দ :যে সকল শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে অবিকৃতভাবে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে সে সব শব্দকে তত্সম শব্দ বলে।
যেমন : হস্ত, মস্তক, চন্দ্র, সন্ধ্যা, কৃষ্ণ, রাত্রি ইত্যাদি।
খ.অর্ধ-তত্সম শব্দ :যে সব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কিঞ্চিত্/অর্ধেক
পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে অর্ধ-তত্সম শব্দ বলে। যেমন:
কৃষ্ণ>কেষ্ট, প্রণাম>পেন্নাম, নিমন্ত্রণ>নেমন্তন্ন,
জ্যোত্স্না>জোছনা, গৃহিণী>গিন্নী ইত্যাদি।
গ.তদ্ভব শব্দ : যে সব শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে বিবর্তিত
হয়ে বাংলায় এসেছে সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে। তদ্ভব শব্দের আরেক নাম খাঁটি
বাংলা শব্দ।
যেমন: হস্ত>হ ত্থ>হাত, ভক্ত>ভত্ত>ভাত ইত্যাদি।
ঘ.দেশি শব্দ:বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের ব্যবহূত শব্দসমূহকে দেশি শব্দ বলে। যেমন: ডাব, খোকা, কুলা, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।
ঙ.বিদেশি শব্দ:বিভিন্ন ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক কারণে
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষেরা আমাদের দেশে আসার ফলে তাদের ভাষার যে-সকল
শব্দ বাংলা ভাষায় ব্যবহূত হচ্ছে, সেগুলোকে বিদেশি শব্দ বলে। যেমন: চেয়ার
(ইংরেজি), রোজা (ফারসি), চা (চীনা), চাবি(পর্তুগিজ), আতর(আরবি)
ইত্যাদি।
০০০
২০১৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র
Phrase/Idioms এর ব্যবহার এবং linking words এর ব্যবহার
এম এ হামিদ খান
সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
ধনবাড়ী কলেজ, টাঙ্গাইল।
সুপ্রিয় পরীক্ষাথী,
আজ আমরা Part-A অংশে Verb এর ব্যবহার, suitable prepositions এর ব্যবহার,
the Use of article এর ব্যবহার, Use of Phrase/Idioms এর ব্যবহার এবং
linking words এর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করছি। আজকে এ আলোচনা ইংরেজি
দ্বিতীয়পত্রে সকল ছাত্র/ছাত্রীকে সহযোগীতা এবং উপকৃত করবে।
PART-A: GRAMMAR
1. Complete the following passage with suitable verbs form the list.
Put them in the correct tenses. Use the negatives where necessary.
take
try
inspire
ea
groan
gallop
Paralyses
Price of essentials in such a Crucial factor that it directly
a)......the life and living of the majority people of the country
whether in the rural or urban areas. The measures so far b)......by the
govement have c)......appreciation from the people. But it is now being
replaced by despair as the majority of the people have begum
d)......under the crushing burden of e).......prices.
Answer: a) paralyses b) taken c) eaed d) groaning e) galloping
2. Fill in the blanks with suitable prepositions.
We should not hanker a).....money we also should remember that money is
the root b)........all evils. But this should not man that we can
survive c)......money. We should have dignity d)......eaing money. Money
e)......any cost should not be our target.
Answer: a) after b) of c) without d) of e) at
3. Use article where necessary’ put a cross () where an article is not needed.
Bangladesh is a).....developing country of b)......third world. As
c).......result, it is in d)......grip of economic crisis. Here
e)......Prices of essential commodities are increasing day by day. It
makes f)........life. of g).....common people miserable.
h).........immediate step should be taken to stop the price hike.
i)........Govt. should take j).....effective measure to control it.
Answer: a) a b) the c) a d) the e) the f) the g) the h) an i) the j) an
4. fill in the blanks with suitable linking words form the list.
thus
so
as
if
besides
who
even
because
Honesty is a noble virtue. The man a) ....possesses this rare quality.
is the happiest person in the world. To be honest, man should have trust
worthiness. b).......nobody trusts a liar. c)........... Allah helps
the honest people. d)......children should be taught honesty form the
very beginning of life e).....children should be developed among the
honest people.
Answer: a) who b) because d) so e) Thus.
5. Make meaningful sentences with the following idioms, (any five)
A slow coach, hard and fast, storm in a tea cup, out of date, with a view to, crying need, at the eleventh hour.
Answer: A slow coach- a slow coach can never succeed in life.
Hard and fast- There is no hard and fast rule in this matter.
Storm in a tea cup- They raised a storm in a tea cup
Out of date- This law is out of date now.
With a view to- I went to the station with a view to meeting my friend.
Crying need- education is the crying need of a nation
At the eleventh hour- we reached the station just at the eleventh hour.
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন