সুলতান মামুন: আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে
ধোবাউড়া উপজেলায় নির্বাচনী হাওয়া উত্তাল হয়ে ওঠেছে। তবে প্রথম দফার নির্বাচনে
ধোবাউড়া উপজেলার নাম অন্তভুর্ক্ত না হলেও থেমে নেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌঁড়ঝাঁপ।
ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফুরকান উদ্দিন সেলিম মির্ধা নির্মমভাবে নিহত
হওয়ার পর পদাধিকার বলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আসনটি অলংকৃত করেন ভাইস
চেয়ারম্যান মো: মজিবুর রহমান। ২০০৯ সালের
২৩ ফেব্রম্নয়ারি আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহনের পর প্রথম অধিবেশন হয় ২২ মার্চ তারিখে। সেই
হিসেবে ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদের মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২১ মার্চ তারিখে।
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ধোবাউড়া উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে
বাঁজতে শুরু করেছে নির্বাচনী সানাই। চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে পুরাতন
প্রার্থীদের পাশাপাশি অনেক নতুন মুখের আত্নপ্রকাশ ঘটছে। তবে এখন পর্যন্ত সম্ভাব্য
প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শুনা যাচ্ছে তারা হলেন -চেয়ারম্যান পদে সাবেক উপজেলা
পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজব মো: মফিজ উদ্দিন , এডভোকেট ইসলাম উদ্দিন খান, আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামীলীগের
যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ
হেলাল উদ্দিন, ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদের প্রয়াত চেয়ারম্যান ফুরকান উদ্দিন সেলিম
মির্ধার সহোদর ছোট ভাই মো: মজনু মির্ধা,
বর্তমান উপজেলা পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক
সম্পাদক মো: মজিবুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা ডা: আসাদুজ্জামান আকন্দ (সাগর), উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জি এম
আজহারম্নল ইসলাম কাজল, বিএনপি নেতা শামছুর রশিদ মজনু, বিএনপি নেতা ও
পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মো: মঞ্জুরম্নল হক(মঞ্জু) এবং
বিএনপি সমর্থক মো: আব্দুল আওয়াল।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এখন
পর্যন্ত মাঠে সক্রিয় আছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শওকত ওসমান ও
মো: মুর্শিদ আলম, উপজেলা কৃষক লীগের সেক্রেটারি মো: আনিছুর রহমান ঈমান, ছাত্রদল
সভাপতি আব্দুল মোমেন শাহীন, যুবদল নেতা আবুল ফজল ও ছাত্রদল নেতা লুৎফর রহমান প্রমুখ। তবে এই পদে
আরো কয়েকজন নতুন প্রার্থীর মুখ দেখা যেতে পারে।
তবে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান
মিসেস সেলিমা খাতুন মাঠে সক্রিয় রছেছেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন