ধোবাউড়ায় পোস্ট মর্টেম
রিপোর্ট নিয়ে লাখ টাকা বানিজ্যের পায়তারা
বিশেষ প্রতিনিধি: গত ৩১ জানুয়ারি ধোবাউড়া
উপজেলার ১ নং দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের ভেদিকুড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত ঘটনার জের
ধরে এক ৬৫ বছরের বৃদ্ধ প্রতিপক্ষের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হন। ১ ফেব্র“য়ারি ধোবাউড়া থানায়
নিহতের পুত্র মো: সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ১২ জনের নামে এবং অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামী করে পেনাল কোডের ১৪৩/৪৪৭/৩০২/১১৪/৩৪
ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় এজাহার ভূক্ত আসামীরা হলেন, (১) শরাফত আলী(৭৫)
পিতা-মৃত ওয়াহেদ আলী, (২) ছমেদ আলী(৫০) পিতা-
শরাফত আলী, (৩) আবুল কালাম(২৮), (৪) ফারুক(২১) উভয়ের পিতা-
ছমেদ আলী, (৫) রহমত আলী(৩২) পিতা
-জাহেদ আলী, (৬) সাইদুর রহমান(৪৫), (৭) শহিদুল ইসলাম, উভয় পিতা- শরাফত আলী (৮)
ইব্রাহিম, পিতা ছাইদুর রহমান (৯)
ছফির উদ্দিন(৪৩) পিতা- শরাফত আলী সর্বসাং ভেদীকুড়া, (১০) আসাদ মেকার (৩০), পিতা মৃত আব্দুল আজিজ শেখ, সাং জয়রাম পাড়া (১১) আব্দুল হাকিম(৩৫) পিতা মৃত বইগ্যা, (১২) আনোয়ার হোসেন(২৫)
পিতা সমর আলী সাং বগাঝড়া,
ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভূক্তভোগী জানান, মামলা দায়েরের পর থেকেই
এক শ্রেণীর অসাধু চক্র মামলাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট
নিয়ে নতুন করে খেলায় মেতে উঠেছে। আসামী ও বাদী উভয় পক্ষের সাথে তাল রেখে এই অসাধু
চক্রটি ইতিমধ্যে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা শুরু করেছে। চক্রটি উভয় পক্ষকে বলছে- টাকা না দিলে সহজেই
ডাক্তাররা পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট দিতে চান না। তাছাড়া আগে ডাক্তার ম্যানেজ করতে
পারলে ইচ্ছামতো পোস্টমর্টেম রিপোর্ট করানো সম্ভব।
তবে চক্রটি আসলেই কার পক্ষে কাজ করছে তাও এই
মুহুর্তে পরিষ্কার নয়। এ ব্যাপারে মামলার বাদী সাইফুল ইসলামকে জিজ্ঞাসা করা হলে
তিনি বলেন, আমরা অশিক্ষিত মানুষ। প্রতিপক্ষের ৬/৭ টি মিথ্যা মামলায় পড়ে আমরা একরকম পথের ভিখারী। আমাদের সাথে
কেউ বেইমানী করলে আল্লাহ অবশ্যই তার বিচার করবেন।
তবে ধোবাউড়া থানার ওসি এম এ হক জানান, “পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট
নিয়ে জালিয়াতির কোন সুযোগ নেই। কিন্তু দালাল চক্রটির ব্যাপারে আমার কাছে কিছু তথ্য
আসছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখব।”
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন