ধোবাউড়া প্রতিনিধি:ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় অবস্থিত ধোবাউড়া মহিলা
ডিগ্রি কলেজে একাডেমিক ভবন নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক
অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ধোবাউড়া উপজেলার একমাত্র মহিলা ডিগ্রি কলেজে ১কোটি ৩৪ লক্ষ
৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪তলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট দ্বিতল একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ
কাজের টেন্ডার হয় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ তারিখে। তবে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হয় গত বছরের
২৩ জুন। ময়মনসিংহ শিক্ষা ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে এম এইচ এন্টারপ্রাইজ নামের
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যায়ে ভবনটির কাজ বাস্তবায়ন
করছে।
গতকাল ৯ নভেম্বর শনিবার দুপুরে সমাজ কল্যান প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট প্রমোদ
মানকিন এম,পি ধোবাউড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের ৪তলা বিশিষ্ট দ্বিতল একাডেমিক ভবনের
আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এলাকার একমাত্র মহিলা ডিগ্রি কলেজের
স্বার্থের কথা ভেবে কলেজের অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে শতভাগ মান
বজায় রেখে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এম
এন এন্টারপ্রাইজ সাব ঠিকাদারের মাধ্যমে কলেজ শিক্ষকদের তদারকি উপেক্ষা করে মনগড়া
ভাবে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
বেজ থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে শুরু থেকেই ছিল অনিয়ম। কলেজের অধ্যক্ষ
হেলাল উদ্দিন কলেজ শিক্ষকদেরকে তদারকির দায়িত্ব দিলেও অনেক ক্ষেত্রেই নির্মাণকাজে
নিয়োজিতরা তা মানতে নারাজ। বর্তমানে নির্বাচনী কাজে অধ্যক্ষের ব্যসত্মতা বেড়ে
যাওয়র সুযোগে নির্মাণ কাজে নিয়োজিতরা কাজ করে যাচ্ছেন আপন গতিতে। নির্মাণ কাজ
তদারকির জন্য ময়মনসিংহ শিক্ষা ও প্রকৌশল
অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের দায়িত্ব থাকলেও তাদের দেখা মিলছে না। হঠাৎ কখনও আসলেও
শিক্ষকদেরকে তুষ্ট করার জন্য নির্মাণ শ্রমিকদেরকে ধমকা-ধমকি করে কাজ বন্ধ করার
হুমকি দিয়ে চলে যাচ্ছেন যা শতভাগ আইওয়াশ ছাড়া আর কিছুই নয়।
এদিকে পিলারের কাজগুলোতে অনিয়মের প্রমাণ মিললেও তার প্রতিবাদ করে কোন লাভ
নেই বলে চ্যালেঞ্চ ছুড়ে দিচ্ছেন নির্মাণকাজে নিয়োজিতরা। এমতাবস্থায় নির্মাণাধিন
ভবনটি যাতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হিসেবে নির্মিত না হয় সেজন্য এখনই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়
ও অধিদপ্তরের হসত্মক্ষেপ কামনা করছেন কলেজ শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন