বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৪

ধোবাউড়া পোড়াকান্দুলীয়া খাদ্য গুদামে পরিমাপ শেষে দায়িত্ব হস্তান্তর ঃ ১কোটি টাকা মূল্যের ২শত টন গম ও চালের হুদিস মিলেনি।


ডেস্ক রিপোর্ট:  গতকাল মঙ্গলবার ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলীয়া খাদ্যগুদাােম নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর উপস্থিতিতে বিশেষ কমিটি পরিমাপ গ্রহণ শেষে নয়া কর্মকর্তার কাছে দায়িত্ব ভার হস্তান্তর করেন। এসময় খাদ্য গুদাম থেকে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ১শত ৪৪ মেঃ টন চাল ও ৫২ মেঃ টন গমের হুদিস মিলেনি। গত ২৭ নভেম্বর ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান খান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পোড়াকান্দুলীয়া খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করে প্রাথমিক অবস্থায় স্টক থেকে ১১৮ মেঃ টন চাল ও ৩১ মেঃ টন গমের হুদিস না পাওয়ায় খাদ্য গুদামটি সিলগালা করেন। গত ২, ৪ ও ৯ ডিসেম্বর ৩দিন সরজমিনে এসে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিভীষণ কান্তি খাদ্য গুদামের সিলগালা খোলে দিলে তার উপস্থিতে বিশেষ কমিটি পরিমাপ গ্রহণ করে নয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হালিম কে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন। নয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হালিম দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার সময় স্টক থেকে ৫২ মেঃ টন গম  ও ১৪৪ মেঃ টন চাল কম বুঝে নিয়েছেন বলে তিনি জানান। গত ৪ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহবুবুর রহমান, ফুলপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ আজহার আলীকে প্রধান করে ত্রিশাল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কামরুজ্জামান ও ধোবাউড়া উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক শামীম আহম্মেদকে সদস্য করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত টিমের প্রধান মোঃ আজহার আলীর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোন বক্তব্য দিতে পারবেন না বলে জানান। এ ব্যাপারে গত ২৮ নভেম্বর ধোবাউড়া উপজেলার খাদ্য পরিদর্শক শামীম আহম্মেদ বাদী হয়ে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল কবীরের বিরুদ্ধে ধোবাউড়া থানায় মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ মামলাটি ময়মনসিংহ দুর্নীতি দমন (দুদক ) কে অধিকতর তদন্ত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রেরণ করে। বর্তমানে মামলাটি দুদক তদন্ত করছে।

কোন মন্তব্য নেই: