সোমবার, ২ মার্চ, ২০১৫

ধোবাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মজনু মির্ধার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস আকস্মিক পরিদর্শন


ইকবাল কবির মানিক: গতকাল সোমবার ধোবাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মজনু মির্ধা বেলা ২টার দিকে আকস্মিক ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন ১ নং দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো: দুলাল মিয়া ওরফে নায়ক দুলাল এর সাথে দেখা করেন এবং তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। পাশাপাশি হাসপাতালের অন্যান্য রোগীদের সাথে কথা বলেন। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগীদের পক্ষ থেকে হাসপাতালের নোংড়া ও দুর্গন্ধযুক্ত টয়লেট, মশারী সংকট, নিম্নমানের খাবার পরিবেশন, এক্সরে করাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, প্রয়োজনীয় স্যালাইন ও সরকারি বরাদ্ধকৃত ঔষধ রোগীদেরকে না দেয়া সহ বিভিন্ন দূরাবস্থার বিষয়ে অবহিত হন। তবে হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের আন্তরিকতার খবরে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সদ্য বদলী হওয়া আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা: অনুপম ভট্টাচার্যের অভাবটা এখনও অনুভব করছেন বলে জানান রোগীরা।
পরে বেলা সাড়ে তিনটায় সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ধোবাউড়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান। তিনি একান্তে সাব-রেজিস্টার এর সাথে কথা বলেন এবং যেকোন দুর্নীতির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহবান জানান। পাশাপাশি দলিল লেখকদের সাথে মত বিনিময় করেন এবং জমির মালিকদের অভিযোগের বিষয়টি উত্থাপন করেন এবং বলেন, আপনারা এমন কাজ করবেন না যাতে জনগন আপনাদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি ধোবাউড়া উপজেলার মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষদের সাথে মানবিক দিক বিবেচনা করে সরকারী বিধি অনুযায়ী সেবা দেয়ার জন্য উপস্থিত দলিল লেখকদের আহবান জানান। 
একই দিন বিকেলে সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মরহুম ফুরকান উদ্দিন সেলিম মির্ধার ঘনিষ্ট ব্যাক্তি ফিরুস সাংমা’র(৬৫) মৃত্যুতে তাঁকে শেষ বারের মতো দেখতে যান এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য ধোবাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের সরব উপস্থিতিতে অনেকটাই স্বস্থির নিশ্বাস ফেলছেন উপজেলার সাধারণ জনগণ।