স্টাফ রিপোর্টার : ধোবাউড়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ঘুষ দুর্নীতির বিষয়টি এতদিন ভূক্তভোগীদের মনে বিষ বাষ্পের মতো আটকে ছিল। অজানা ভয়ে মুখ খোলেনি কেউ। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মচারীদের সীমাহীন দুর্নীতি এবং শোষনে অতিষ্ঠ জনগন শেষ পর্যন্ত মুখ খোলার সুযোগ পেল। ধোবাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ মজনু মির্ধা সুস্থ্য হওয়ার পর দুই সপ্তাহ ধরে হাসপাতাল সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পাশাপাশি বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহ:বার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল ধোবাউড়া উপজেলা শাখার কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: রফিক ভূঁইয়া এবং ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মীর ইব্রাহিমকে সাথে নিয়ে সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস ২য় বারের মতো পরিদর্শন করেন। তাঁর পরিদর্শনের খবর পেয়ে জমি ক্রয়-বিক্রয়কারী ভূক্তভোগী সাধারণ জনগন ভীড় করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের আঙ্গিনায়। এ সময় রেজিস্ট্রি অফিসে সাব-রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন। তবে উপজেলা চেয়ারম্যানের উপস্থিতির সুযোগে অনেকেই প্রকাশ্যে অত্র অফিসের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দলিল সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ আনেন যা অনেকটা বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো। এ সময় ধোবাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে যদি কেউ জনগনের সাথে প্রতারণা করে থাকেন এবং কোন সরকারী কর্মকর্তা যদি উপজেলা পরিষদকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকেন তবে আজ থেকে সাবধান হয়ে যান।’ তিনি আরো বলেন, সরকারী ফি’র অতিরিক্ত অনেক টাকা জনগনের কাছ থেকে নিয়ে দলিল সম্পাদন করে যারা জিরো থেকে হিরো হয়েছেন তারা তওবা করুন।
এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান মজনু মির্ধা গত সপ্তাহের শুরুতে দলিল লেখকদের নিষেধ করার পর অতিরিক্ত টাকা নিতে না পারায় দলিল সম্পাদনের গতি অনেকটাই কমে গেছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে অনেক জমির মালিক ও ক্রেতারা। তবে কেউ কেউ ন্যায্যমূল্যে দলিল সম্পাদন করায় দলিল লেখকরা ইতিমধ্যে ৪টি গ্র“পে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান মজনু মির্ধা গত সপ্তাহের শুরুতে দলিল লেখকদের নিষেধ করার পর অতিরিক্ত টাকা নিতে না পারায় দলিল সম্পাদনের গতি অনেকটাই কমে গেছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে অনেক জমির মালিক ও ক্রেতারা। তবে কেউ কেউ ন্যায্যমূল্যে দলিল সম্পাদন করায় দলিল লেখকরা ইতিমধ্যে ৪টি গ্র“পে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে।